danmaku icon

লালন শাহ সেতু,কুষ্টিয়া-পাবনা,বাংলাদেশ

0 วิว1 วันที่แล้ว

লালন শাহ সেতু (পাকশী সেতু নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক সেতু, যা পদ্মা নদীর উপর নির্মিত হয়েছে। কুষ্টিয়ার বিখ্যাত বাউল সাধক গুরু ফকির লালন শাহের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। এই সেতুটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।সেতুটির মূল বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:ভৌগোলিক অবস্থান ও সংযোগঅবস্থান: সেতুটির পূর্ব পাশে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী এবং পশ্চিম পাশে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা অবস্থিত।পার্শ্ববর্তী স্থাপনা: এটি ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজের (রেল সেতু) ঠিক পাশেই (নিচের দিকে) সমান্তরালভাবে নির্মিত।সেতুটির ইতিহাস ও নির্মাণ কাঠামোউদ্বোধন: ১৮ মে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি যান চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ: সেতুটির দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটার (১,৮০০ মিটার) এবং এর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।স্প্যান সংখ্যা: সেতুটিতে মোট ১৭টি স্প্যান রয়েছে, যার প্রতিটির মধ্যবর্তী দূরত্ব প্রায় ১০৯.৫ মিটার।লেন: এটি একটি ৪-লেন বিশিষ্ট সড়ক সেতু (ডিভাইডার দ্বারা বিভক্ত দুই লেনের মূল সড়ক ও দুই পাশে ফুটপাত/সাইড লেন)।নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান: চীনের 'মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি' এই সেতুটি নির্মাণ করে এবং এতে সম্পূর্ণভাবে স্ক্যানসিমেন্ট (হেইডেলবার্গ সিমেন্ট) ব্যবহৃত হয়।অর্থনৈতিক গুরুত্বএই সেতুটি চালুর ফলে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সাথে খুলনা বিভাগ এবং মংলা সমুদ্র বন্দরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারত ও নেপালের সাথে পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।পর্যটন কেন্দ্রপদ্মা নদীর মনোরম দৃশ্য, উত্তাল হাওয়া এবং পাশে থাকা শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর কারণে লালন শাহ সেতু এলাকাটি কুষ্টিয়া ও পাবনা অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ও ছুটির দিনগুলোতে এখানে প্রচুর দর্শনার্থী ভিড় করেন।
warn iconห้ามทำซ้ำหรือดัดแปลงโดยไม่ได้รับอนุญาตจากครีเอเตอร์
creator avatar

วีดีโอแนะนำสำหรับคุณ

  • ทั้งหมด
  • อนิเมะ
0:38