প্রাচীন মিশরে একটা বিড়াল মারলে, এমনকি ভুলবশত মারলেও, শাস্তি হতে পারত মৃত্যুদণ্ড। এটা কোনো বাড়িয়ে বলা কথা না। এটা আসল ইতিহাস।
মিশরে বিড়াল শুধু পোষা প্রাণী ছিল না। মানুষ বিশ্বাস করত, বিড়ালের মধ্যে দেবী Bastet এর আত্মা থাকে, যিনি ঘরের রক্ষাকর্তা আর রোগ ছড়ানো ইঁদুর-সাপের মতো পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রহরী। বিড়ালদের রক্ষার জন্য পুরো একটা সরকারি ব্যবস্থা ছিল। বিড়াল রপ্তানি এতটাই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল যে, চোরাচালান হয়ে যাওয়া মিশরীয় বিড়াল খুঁজে ফিরিয়ে আনতে বিদেশে এজেন্ট পাঠানো হতো। প্রচলিত গল্প অনুযায়ী, কিছু শহরে বিড়ালদের খুশি রাখা একটা গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে গণ্য হতো, যা মন্দির আর স্থানীয় কর্মকর্তাদের বিশেষ মনোযোগ পেত।
এই ভিডিওতে Opi Vision দেখাবে, কিভাবে একটা ছোট শিকারি প্রাণী ইতিহাসের অন্যতম সেরা সভ্যতায় সবচেয়ে সুরক্ষিত প্রাণীতে পরিণত হয়েছিল — আর কেন Bubastis শহরে বিড়ালদের প্রাণী নয়, বরং মানুষের মাঝে হেঁটে বেড়ানো দেবতা হিসেবে দেখা হতো।
🔔 আরও ইতিহাস, ভুলে যাওয়া কিংবদন্তি আর অজানা গল্প পেতে Subscribe করুন Opi Vision চ্যানেলে।