danmaku icon

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে হস্তমৈথুন (ইস্তিমনা) বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে।

0 Lượt xem16 tiếng trước

ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে হস্তমৈথুন (ইস্তিমনা) বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু মতভেদ আছে। তবে অধিকাংশ ফকিহ এটিকে জায়েজ নয়/হারাম বলেছেন, বিশেষ করে যখন এটি যৌন তৃপ্তির উদ্দেশ্যে করা হয় এবং বৈধ বিবাহের বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়। ইসলামি বিশ্লেষণ ১. কুরআনের দিকনির্দেশনা আল্লাহ বলেন, মুমিনরা নিজেদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে; বৈধ স্ত্রী ব্যতীত অন্যভাবে যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণকারীদের সীমালঙ্ঘনকারী বলা হয়েছে—সূরা আল-মুমিনূন ২৩:৫–৭। অধিকাংশ আলেম এই আয়াতকে হস্তমৈথুন নিষিদ্ধ হওয়ার অন্যতম দলিল হিসেবে দেখেছেন। ২. নবী ﷺ-এর নির্দেশনা যুবকদের উদ্দেশে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—যার বিবাহের সামর্থ্য আছে সে যেন বিবাহ করে; আর যে সামর্থ্য রাখে না, সে যেন রোজা রাখে, কারণ রোজা যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। —সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম। ৩. আলেমদের মতভেদ অধিকাংশ আলেমের মতে এটি নিষিদ্ধ। তবে কিছু আলেম বলেছেন, কেউ যদি জিনায় পড়ে যাওয়ার বাস্তব আশঙ্কায় থাকে এবং বিবাহের সামর্থ্য না থাকে, তখন বড় গুনাহ থেকে বাঁচার জরুরি পরিস্থিতিতে এটিকে কম ক্ষতির বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এটি সাধারণভাবে অভ্যাস হিসেবে অনুমোদন নয়। ৪. পর্নোগ্রাফির সঙ্গে করলে হস্তমৈথুনের সঙ্গে পর্নোগ্রাফি যুক্ত হলে বিষয়টি আরও গুরুতর হয়, কারণ এতে অশ্লীল দৃষ্টি ও হারাম বিষয় দেখার অতিরিক্ত গুনাহ যুক্ত হতে পারে। তাই ইসলামি দৃষ্টিতে শুধু কাজটি এড়িয়ে চলাই নয়, যে পরিবেশ ও উপকরণ এটি ঘটায় সেগুলো থেকেও দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ৫. কেউ অভ্যাসে পড়ে গেলে কী করবে? নিজেকে ঘৃণা না করে তওবা করা, নামাজ ঠিক রাখা, একাকিত্ব ও অশ্লীল কনটেন্ট এড়িয়ে চলা, নিয়মিত রোজা রাখা, ব্যস্ত থাকা এবং বিবাহের সামর্থ্য হলে বিবাহের চেষ্টা করা—এসব বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া যায়। বারবার ভুল হয়ে গেলেও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া উচিত নয়। সারকথা: ইসলাম যৌন চাহিদাকে অস্বীকার করে না; বরং সেটিকে বৈধ বিবাহের মাধ্যমে পূরণ করার শিক্ষা দেয়। হস্তমৈথুন বিষয়ে অধিকাংশ আলেমের মত হলো এটি পরিহার করা উচিত, আর যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য রোজা ও আত্মসংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
creator avatar

Đề xuất cho bạn

  • Tất cả
  • Anime
3:35