একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে ছাত্রদের পাঠদান করছেন। সব ছাত্রছাত্রী মনোযোগ দিয়ে স্যারের কথা শুনছে। কিন্তু আরিয়ান অন্যমনস্ক হয়ে একটি মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। হঠাৎ করেই সে মেয়েটির গালে চুমু দেয়। এতে মেয়েটি চিৎকার করে ওঠে। বিষয়টি দেখে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে আরিয়ানকে লাঠিপেটা করতে শুরু করেন। তখন আরিয়ান শিক্ষকের পেটে আঘাত করে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই শিক্ষক নিহত হন।
এই ঘটনার পর শিক্ষকের পরিবার থানায় আরিয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করে। বিষয়টি মীমাংসা করতে ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থলে আসে আরিয়ানের বাবা আদিব মির্জা। তবে শিক্ষকের স্ত্রী কোনো আপস করতে রাজি না হওয়ায় আদিব মির্জা নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করে।
আদিব মির্জা দেশের সবচেয়ে ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যবসায়ীদের একজন। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে প্রশাসনের লোকজনও তার কথা মেনে চলে। বাবার প্রভাবেই আরিয়ান বড় হয়ে ওঠে একজন দুর্ধর্ষ ও প্রভাবশালী মানুষ হিসেবে। শহরের পুলিশ পর্যন্ত তাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে।
একদিন একটি ডান্স পার্টিতে আরিয়ানের সঙ্গে পরিচয় হয় নিতু নামের এক মেয়ের। পার্টিতে এক মেয়েকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিতে দেখে নিতু বিস্মিত হয়। পরে সে একটি সংস্থার জন্য আরিয়ানের কাছে অর্থ সহায়তা চায়। এই ঘটনার মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে আরিয়ান ও নিতুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মূলত এখান থেকেই শুরু হয় বরবাদ চলচ্চিত্রের আসল গল্প। সম্পূর্ণ কাহিনী জানতে হলে সিনেমাটি পুরোটা দেখতেই হবে।
Không được đăng tải lại nội dung khi chưa có sự cho phép của nhà sáng tạo
একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে ছাত্রদের পাঠদান করছেন। সব ছাত্রছাত্রী মনোযোগ দিয়ে স্যারের কথা শুনছে। কিন্তু আরিয়ান অন্যমনস্ক হয়ে একটি মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। হঠাৎ করেই সে মেয়েটির গালে চুমু দেয়। এতে মেয়েটি চিৎকার করে ওঠে। বিষয়টি দেখে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে আরিয়ানকে লাঠিপেটা করতে শুরু করেন। তখন আরিয়ান শিক্ষকের পেটে আঘাত করে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই শিক্ষক নিহত হন।
এই ঘটনার পর শিক্ষকের পরিবার থানায় আরিয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করে। বিষয়টি মীমাংসা করতে ব্যক্তিগতভাবে ঘটনাস্থলে আসে আরিয়ানের বাবা আদিব মির্জা। তবে শিক্ষকের স্ত্রী কোনো আপস করতে রাজি না হওয়ায় আদিব মির্জা নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করে।
আদিব মির্জা দেশের সবচেয়ে ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যবসায়ীদের একজন। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে প্রশাসনের লোকজনও তার কথা মেনে চলে। বাবার প্রভাবেই আরিয়ান বড় হয়ে ওঠে একজন দুর্ধর্ষ ও প্রভাবশালী মানুষ হিসেবে। শহরের পুলিশ পর্যন্ত তাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে।
একদিন একটি ডান্স পার্টিতে আরিয়ানের সঙ্গে পরিচয় হয় নিতু নামের এক মেয়ের। পার্টিতে এক মেয়েকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিতে দেখে নিতু বিস্মিত হয়। পরে সে একটি সংস্থার জন্য আরিয়ানের কাছে অর্থ সহায়তা চায়। এই ঘটনার মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে আরিয়ান ও নিতুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মূলত এখান থেকেই শুরু হয় বরবাদ চলচ্চিত্রের আসল গল্প। সম্পূর্ণ কাহিনী জানতে হলে সিনেমাটি পুরোটা দেখতেই হবে।