সিনেমার শুরুতেই দেখা যায় তিনজন সুন্দরী মেয়েকে। তারা একসঙ্গে একটি বারে বসে ড্রিংস করছে। তাদের মনে হচ্ছিল—এভাবে জীবন চলে না, এ জীবন তাদের জন্য নয়। কিন্তু কেন এমন অনুভূতি তাদের মনে জন্ম নিয়েছে? এর উত্তর জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে অতীতে। তাহলে চলুন, সেখান থেকেই গল্প শুরু করা যাক।
তিনজন মেয়েকে পরিচয় করানো হয় থ্রি রোজেস নামে। তাদের মধ্যে প্রথম রোজের নাম রিতু। তিনি একটি ফ্যাশন ডিজাইন কোম্পানিতে কাজ করেন। সম্প্রতি একদল ক্লায়েন্টের সামনে সফলভাবে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে তিনি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বলা যায়, রিতুর ক্যারিয়ার এখন উর্ধ্বমুখী।
কিন্তু অন্যদিকে রিতুর মা বিয়ের ব্যাপারে তাকে চাপ দিতে থাকেন। কারণ মেয়ে বড় হয়েছে, আশপাশের প্রায় সব মেয়েরই বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাকে। এর ওপর কিছুদিন আগে রিতুর বাবা হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তাই তিনি জীবিত থাকতে মেয়ের বিয়ে দিয়ে যেতে চান। অথচ রিতু আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চায়।
শেষ পর্যন্ত বাবার কথা ফেলতে না পেরে রিতু বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর পাত্রপক্ষ রিতুকে দেখতে আসে। শুরুতে সবাই ভেবেছিল ছেলেটি বেশ ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের। কিন্তু পরে বোঝা যায়, সে আসলে পাবজি গেমে আসক্ত। কানে ব্লুটুথ হেডফোন লাগিয়ে সে গেম খেলতেই বেশি ব্যস্ত থাকে। সবার সামনে গেম খেলতে না পারায় সে রিতুর সঙ্গে আলাদা ঘরে কথা বলার অনুরোধ করে। কিছুক্ষণ পর তার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যায়। তখন চার্জ দেওয়ার জন্য রিতুর কাছে চার্জার চায়। রিতু চার্জার দিতে রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেই বিয়ের প্রস্তাব ভেঙে যায়।