দীর্ঘ বাসযাত্রা শেষে সুলতানা মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে নামেন। তাকে বেশ বিষণ্ন দেখায়, এমনকি ঠিকভাবে হাঁটতেও পারছেন না। বাসস্ট্যান্ড থেকে পূর্বপরিচিত নানু ভাইয়ের সিএনজিতে উঠে তিনি একটি হাসপাতালে যান। হাসপাতালের ওয়াশরুমে সুলতানার কাশির সঙ্গে রক্ত বের হতে দেখা যায়। এরপর তিনি স্থানীয় একটি মার্কেটে কেনাকাটা করে স্বামীর সঙ্গে বাড়ি ফেরেন।
সুলতানার একমাত্র মেয়ের নাম মুন্নি, সে ক্লাস থ্রিতে পড়ে। মেয়েকে স্কুলে আনা–নেওয়ার দায়িত্ব তার বাবাই পালন করেন। তবে পরিবারের ভরণপোষণসহ সকল খরচের ভার সুলতানার কাঁধেই। কিন্তু তিনি ঠিক কী ধরনের কাজ করেন, তা স্পষ্ট করে জানা যায় না।
এদিকে, সুলতানা কখন কোথায় যাচ্ছেন—তার প্রতিটি পদক্ষেপ একজন লোক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরে রাখে। মূলত সেই লোকের হয়েই সুলতানা কাজ করে থাকেন। একসময় সুলতানার মা তার কাছে অনেক টাকা দাবি করেন। কারণ তার ছেলে ব্যবসার জন্য পুঁজি লাগাবে। কিন্তু সুলতানা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ এর আগেও তিনি ভাইকে ট্রাক কিনে দেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের টাকা দিয়েছিলেন। অথচ সেই ট্রাক থেকে কত আয় হচ্ছে—তার কোনো হিসাব সুলতানাকে দেওয়া হয়নি।
বাড়িতে ঝগড়া করে সুলতানা কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। এরপর কী হতে চলেছে? রহস্যে ভরা এই সিরিজের বাকি গল্প জানতে এখনই দেখে নিন গুটি ওয়েব সিরিজ।